Previous
সকাল থেকে খুব বৃষ্টি হচ্ছে।   কণা, অপু ও রিতা আজ স্কুলে যেতে পারেনি।   তারা ঘরের ভেতর খেলছে।
হঠাৎ বিকালে মা ওদের ডাকলেন।   বললেন, দেখ! দেখ! আকাশে কী সুন্দর রংধনু!
ওরা সবাই দৌড়ে এল।   আকাশে বিশাল এক রংধনু।   এ যেন রঙের মেলা।
কণা বলল, বাতাসে ভেসে থাকা পানির ফোঁটায় সূর্যের আলো পড়ে রংধনু তৈরি হয়।   সূর্যের আলো না থাকলে রংধনু দেখা যায় না।
অপু বলল, রংধনুতে সাত রং থাকে।   বেগুনী, নীল, আকাশী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল।
রিতা দৌড়ে ঘর থেকে খাতা, রং পেন্সিল নিয়ে আসে।   বলে, আমি রংধনু আঁকব।
রিতা খাতায় রংধনু আঁকতে শুরু করে।   কিন্তু তখনই রংধনু মিলিয়ে যায়।   রিতার মন খারাপ হয়ে যায়।
রিতার মন খারাপ দেখে অপু বলল, চল রংধনু দেখি।   রিতা অবাক হয়।
অপু বাটিতে করে সাবানের ফেনা আনে।   সাথে একটি নলও আনে।   বাটিতে নলটি ডুবিয়ে বাতাসে ফুঁ দেয়।
নলে লেগে থাকা সাবানের ফেনায় পানি থাকে।   সূর্যের আলোয় সেই পানিতে রংধনু ভেসে ওঠে।
কণা বলল, রংধনুর সাত রং মনে রাখতে হলে তোমাকে ‘বে নী আ স হ ক লা’ মনে রাখতে হবে।
অপু বলল, বে দিয়ে- বেগুনী, নী দিয়ে নীল, আ দিয়ে আকাশি, স দিয়ে সবুজ, হ দিয়ে হলুদ, ক দিয়ে কমলা আর লা দিয়ে লাল।
রিতা ‘বেনীআসহকলা’ বলে বলে উঠানে দৌড়াতে লাগল।
Next