Previous
ঈদের ছুটি। আজ শৈলীদের বাসায় ছবি আঁকতে বসেছে তাহিন, সাঈদ ও আহমদ। খবর পেয়ে এসেছে সাঈফান, সূচী ও বেনু। কাগজ আর রঙতুলি নিয়ে সবাই বসেছে ছবি আঁকতে।
এমন সময় ছোটমামা এসে হাজির। তাকে দেখে সবাই খুশিতে হাততালি দিল। মামা বললেন, আমি তোমাদেরকে ছবি আঁকার ম্যাজিক দেখাবো। ম্যাজিক দেখে তোমরা সহজেই ছবি আঁকতে পারবে।
ছোট মামা একটা বাতির পাশে হাত ধরলেন। হাতের ছায়া পড়লো ঘরের দেয়ালে। ছায়াটি দেখতে যেন একটি কাক। ছায়া দেখে শৈলী ঝটপট একটি কাকের ছবি এঁকে ফেলল।
ছোটমামা অন্যভাবে হাত ধরলেন। এবারের ছায়াটি দেখতে যেন ভালুকের মত। ছায়া দেখে তুহিন ভালুকের ছবি আঁকে।
এবার মামা এমনভাবে হাতের ছায়া ফেললেন, দেখে মনে হয় একটি ছাগলছানা। সাঈদ ছাগলছানার ছবি আঁকতে চেষ্টা করল।
তার পরের ছায়াটি দেখতে কুকুরের মতো। আহমদ কুকুরের ছবি আঁকতে শুরু করলো। কিন্তু আঁকাটা যেন ঠিক হচ্ছে না। তাই সে বার বার মুছে ঠিক করতে লাগল।
এবারের ছায়াটি দেখে সবাই অবাক। এ যেন মানুষের মুখ। সাঈফান বলল, ঠিক দেখতে দাদুর মুখ। আমি দাদুর ছবি আঁকব।
এর পরের ছায়াটি দেখে সূচী লাফিয়ে উঠলো। কী সুন্দর খরগোশ! আমি খরগোশের ছবি আঁকব।
এবার মামা যে ছায়াটি দেখালেন, তা দেখতে হাতির মত। বেনু হাতির ছবি আঁকতে বসল।
সবশেষে ছোট মামা যে ছায়াটি দেখালেন, তা দেখে সবাই লাফিয়ে উঠলো। কী সুন্দর পাখি! কী সুন্দর পাখি! সবাই বলল, আমরা পাখির ছবি আঁকব।
এবার সবাই যার যার ছবি রঙ করতে বসল। মামা বললেন, রং করার আগে দেখে নাও, কোথাও ভুল হয়েছে কিনা। আঁকা ঠিক না হয়ে থাকলে আগে সুন্দর করে এঁকে ফেল।
Next