Previous
কাক ও পেঁচা দুই বন্ধু।   পেঁচার অনেক দিন থেকে অসুখ।   টাকা পয়সাও নেই।   কবিরাজ দেখাতে পারে না।
কাক কোকিল কবিরাজের কাছে যায়।   বলে কোকিল আপা, কোকিল আপা, পেঁচার অসুখ ভালো করে দাও।
কোকিল বলে, পয়সা আন।   কাক বলে, আগে ঔষধ দাও পরে পয়সা দেব।
কোকিল কবিরাজের ঔষধে পেঁচার অসুখ ভালো হয়।   কাক কোকিল কেউ আ.....র পেঁচাকে খুঁজে পায় না।
কোকিল ধরে কাককে।   বলে, কাক আমার ঔষধের পয়সা দাও।   তা না হলে কাজীর কাছে বিচার দেবো।   কাক ভাবনায় পড়ে, কোথা থেকে সে পয়সা দেবে?
কাজী কাককে হুকুম দেন, যাও যেখান থেকে পারো পেঁচাকে ধরে নিয়ে এসো।   আর সবাইকে জানিয়ে দাও, পেঁচাকে পেলে আটক করা হবে।
কাক সারাদিন পেঁচাকে খুঁজে বেড়ায়।   কিন্তু কোথাও তাকে খুঁজে পায় না।   তার ভয় হয়, কি জানি কাজী তাকে কি সাজা দেন।
কাজী বিচার করেন, কাক শোন, এখন থেকে কোকিল তোমার বাসায় ডিম পাড়বে।   তুমি ডিম তাঁ দিয়ে বাচ্চা ফুটাবে।   এটা তোমার সাজা।   আর পেঁচাকে দেখলেই ধরে জেলখানায় ঢোকানো হবে।
সেই থেকে কাকের বাসায় কোকিল ডিম পাড়ে।   ডিম ফুটে বাচ্চা হয়, আর কোকিল বাচ্চা নিয়ে উড়ে যায়।
পেঁচা আর দিনের বেলা ঘর থেকে বের হতে পারে না।   রাতে পাখিরা ঘুমিয়ে গেলে সে খাবারের খোঁজে বের হয়।   আর দিনের বেলা ঘরে লুকিয়ে থাকে।
Next