Previous
গাঁয়ের পাশে ছিলো একটি নদী। নদীর নাম তিতাস। শিলা নদীর পাড়ে বেড়াতে যায়। সে কলকল শব্দ শোনে। নদীর পানিতে হাত-পা ধোয়। নদীর সাথে কথা বলে। নদীর সাথে তার খুব ভাব।
নদীর পাড়ে আছে একটি বটগাছ। বিরাট সে গাছ। বটগাছটি নদীর পাড় ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থেকে নদীর পাড় শক্ত করে ধরে রেখেছে। শিলা রোজ বটগাছের ছায়ায় বসে।
শিলা বটের ঝিরঝির শব্দ শোনে। বাতাসে গা জুড়ায়। গাছের সাথে কথাবলে। বটগাছের সাথেও শিলার খুব ভাব।
ছোট পাখি শালিক। ব্টগাছের ডালে তার বাসা। শিলা গাছের ছায়ায় বসে। পাখির কিচিরমিচির রব শোনে। পাখির আকাশে ওড়া দেখে। পাখির সাথে কথা বলে। পাখির সাথেও শিলার খুব ভাব।
একদিন শিলা নদীর পাড়ে যায়। দেখে বটগাছটি নদীর ওপরে হেলে পড়ছে। বটগাছের মন খুব খারাপ।
শিলা বলে, বটগাছ তোমার মন খারাপ কেন? কি হয়েছে? বটগাছ বলে, আমি নদীতে পড়ে গেলে শালিক কোথায় থাকবে? তুমি কোথায় ছায়া পাবে? নদীর পাড় কীভাবে শক্ত থাববে?
শিলা অবাক হয়। নদী ও পাখি অবাক হয়। বটগাছ নিজে মরে যাবে তবু তার ভাবনা নেই। বটগাছ ভাবছে আমাদের কথা ! এখন থেকে আমরাও সবার কথা ভাববো।
Next